• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৪ জন

789789
ব্যাংক নিউজ ২৪ ডট কমঃ সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং ইতিহাস নিয়ে সাহিত্য রচনার জন্য ৪ গুনিজনকে পুরস্কৃত করেছে আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড। এর মধ্যে ২০১২ সালের জন্য ২ জন এবং ২০১৩ সালের জন্য ২ জনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

২০১২ সালের জন্য সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন ‘উয়ারী-বটেশ্বর শেঁকড়ের সন্ধানে’ বইয়ের জন্য সুফি মোস্তাফিজুর রহমান ও মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ পাঠান এবং ‘বাংলার বৌদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি’ বইয়ের জন্য শিমুল বড়ুয়া। আর ২০১৩ সালের পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন ‘মুক্তিযুদ্ধে মেজর হায়দার ও তাঁর বিয়োগান্ত বিদায়’ বইয়ের জন্য জহিরুল ইসলাম এবং ‘মধুসূদন বিচিত্র অনুষঙ্গ’ বইয়ের জন্য খসরু পারভেজ।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের একটি করে সম্মাননা স্বারক, পদক ও ৫ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়েছে।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান।নির্বাহী পর্ষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সরোয়ার, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তিনি আসতে পারেননি।তবে অনুষ্ঠানে তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনানো হয়।

অনুষ্ঠানে শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেন, সাহিত্য ও শিল্প চর্চার মাধ্যমে আমরা খুঁজে পাই অনাবিল আনন্দ। আর এই সাহিত্যে যারা অবদান রাখছেন তাদের পুরস্কৃত করছে আইএফআইসি ব্যাংক। আর্থিকভাবে দেশের সবচেয়ে বড় এ পুরস্কার সাহিত্য চর্চায় সংশ্লিষ্টদের অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সাহিত্যিক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ বলেন, আমরা বর্তমানে কঠিন বাণিজ্যিক জগতে বাস করছি।এখানে মেধাবীদের, সৃজনশীলতার দেখা পাওয়া কঠিন। সব কিছু বাণিজ্য গ্রাস করে নিচ্ছে।তাই সৃজনশীলতা, মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তির চর্চায় সহযোগিতা যুগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, সুলতান মাহমুদের সভায় ১০০ জন কবি ছিলেন।এদের তিনি পৃষ্ঠপোষকতা করতেন।এদের মধ্য থেকে একজন বড় কবি বের হয়ে এসেছেন, তিনি হচ্ছেন কবি ফেরদৌসি। তাই সর্বোচ্চ সাফল্যের দিকে না তাকিয়ে অকাতরে পৃষ্ঠপোষকতা করে যাওয়া ভাল, তাহলে তাদের মধ্য থেকে আমরা বড় মাপের কয়েকজন কবি, সাহিত্যিক, গবেষক পেয়ে যাবো।

সালমান এফ রহমান বলেন, আইএফআইসি ব্যাংকের এ পুরস্কারটি আর্থিক মানে সবচেয়ে বড়।দুটি উদ্দেশ্যে ব্যাংকটি এ পুরস্কার চালু করেছে। প্রথমত: লেখক-গবেষকদের একটু আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা, যাতে তারা আরও বেশী করে সাহিত্য চর্চা ও গবেষণা করতে পারেন।দ্বিতীয়ত: তাদেরকে (আইএফআইসি) দেখে যেন অন্যান্য ব্যাংকও শিল্প-সংস্কৃতির বড় পরিসরে এগিয়ে আসেন।

দেশের সাহিত্য চর্চায় আইএফআইসি ব্যাংক অনেক ভুমিকা রাখছে উল্লেখ করে লুৎফর রহমান বলেন, ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্যে ভুমিকা রাখার চেষ্টা করছে। দেশের সাহিত্যিকদের উৎসাহিত করতেই এ পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

পুরস্কারের বিভিন্নদিক তুলে ধরে শাহ আলম সরোয়ার বলেন, পুরস্কারটি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। একটি নির্বাচক মন্ডলী ঠিক করে বিভিন্ন মাধ্যমে সাহিত্যিকদের কাছ থেকে তাদের বই আহ্বান করা হয়। এর পর নির্বাচক মন্ডলীগণ যাচাই বাছাই করে ১০টি বই বাচাই করেন। সেখান থেকে প্রতি বছর ২টি করে বই এ পুরস্কারের জন্য মনোনিত করা হয়। পুরস্কারে স্বচ্ছতা আনতে নির্বাচকদের নামও গোপন রাখা হয় বলে তিনি জানান।

বিভাগ - : ব্যাংক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন