• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

ঋণ ও সুদ মওকুফ সুবিধা পাচ্ছে বেসরকারি পাটকল

ব্যাংক নিউজ২৪ডটকম:সরকারি পাটকলগুলোতে যেভাবে ঋণ দেয়া হয়, সুদ মওকুফ করা হয় ঠিক একইভাবে বেসরকারি পাটকলগুলোতে এ সুবিধা দেয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে খুব শিগগির অর্থমন্ত্রী কিংবা অর্থ সচিবের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে। বৈঠকে ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়টিও বেসরকারি পাটকলগুলোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। এদিকে ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি পাটকলের বকেয়া রফতানি ভর্তুকি বাবদ পাওনা রয়েছে প্রায় ৫৮৮ কোটি টাকা। এ টাকা যাতে জরুরি ভিত্তিতে ছাড় করা হয় সে ব্যাপারে পাট বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটি তাগিদ দিয়েছে। ৭ ফেব্র“য়ারি বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে এই তাগিদ দেয়া হয় বলে জানা গেছে। বৈঠকে হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ যেভাবে ব্যাংকিং সুবিধা পায় ঠিক একইভাবে চিহ্নিত কৃষিভিত্তিক শিল্প হিসেবে পাট পণ্য রফতানিকারক ও কাঁচাপাট রফতানিকারকদের সব ব্যাংক একই সুযোগ-সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত যে ঋণ নেয়া হয়েছে সে ঋণের সুদের হার ৫ বছরের জন্য ব্লকড অ্যাকাউন্টে রাখা হতে পারে। পাশাপাশি পাটনীতি অনুযায়ী যথোপযুক্ত সিকিউরিটি ব্যাংক প্রদান করতে পারবে। তবে কেস টু কেসের ভিত্তিতে কেবল তাদের ব্যাংকগুলো চাহিদা অনুযায়ী বর্ধিত ঋণ দেবে কিংবা নবায়নের সুযোগ সুবিধা দেবে। ২০১২ সালের ২৯ আগস্ট পাট খাতের বিরাজমান সমস্যা নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় সিদ্ধান্ত ছিলÑ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে এক মাসের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের কাছে ১০০ কোটি টাকা ছাড় করার অনুরোধ জানাবে। কিন্তু কাঁচাপাট রফতানিকারকরা ব্যাংকের কোন সুযোগ-সুবিধা পায়নি। অবশ্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আশ্বস্ত করেন, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক পাট খাতকে ১০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে। ইতিমধ্যে ৬০ থেকে ৭৫ শতাংশ ঋণ দেয়া হয়েছে। মঞ্জুরকৃত ঋণের পুরোটাই বেসরকারি পাটকলগুলোকে দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, ৭ ফেব্র“য়ারির বৈঠকে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার সাহা বলেছেন, পাট খাতকে আমরা সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়ে থাকি। একইভাবে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সোনালী ব্যাংক দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে দিয়েছে। এখন ঋণ নবায়ন ও বর্ধিত করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে বাধ্যবাধকতা আছে, তা পাট খাতের জন্য যেন প্রযোজ্য না হয় সে ব্যাপারে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি দিতে হবে। অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, যেটুকু কাঁচাপাট রফতানি হয়েছে সে তুলনায় গৃহীত ঋণ ফেরত দিতে হবে। বিজিএম’র প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ভর্তুকির টাকা জরুরি ভিত্তিতে ছাড় করা না হলে পাট পণ্যের রফতানি কমে যাবে। বিজেএসএ’র চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৩ সালের সার্কুলারে পাটশিল্পকে কৃষিভিত্তিক শিল্প হিসেবে নির্ধারণ করা হলেও তার কোন সুযোগ-সুবিধা আজ পর্যন্ত পায়নি পাটশিল্প। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক বলেছেন, রফতানির জন্য স্বল্পমেয়াদে ৭ শতাংশ হারে ঋণ দেয়া সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এই হারে বিজেএমসিও ঋণ পাচ্ছে না। বৈঠক শেষে পাটমন্ত্রী বলেন, ৯০ দিনের বেশি সময়ের জন্য পাটশিল্পকে একই সুদ হারে ঋণ দিতে হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার প্রয়োজন। যে কারণে যত দ্রুত সম্ভব আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

বিভাগ - : অর্থ ও বাণিজ্য

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন