• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

করের হার ও আওতা বাড়িয়ে নতুন বাজেট আসছে

budget2014-15

ব্যাংক নিউজ২৪ডটকম: করের হার ও আওতা বাড়িয়ে নতুন বাজেট আসছে। একই সঙ্গে কর আদায়ে নতুন নীতি ঘোষণা ও আয়কর কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

৫ জুন জাতীয় সংসদে এ বাজেট ঘোষণা করা হবে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের এটা প্রথম বাজেট।

ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, বাজেটের আকার আড়াই লাখ কোটি টাকার কম-বেশি হতে পারে। এবারের বাজেটে যে সব বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে এর মধ্যে মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার, কৃষি, বিদ্যুৎ, পরিবহন, রেলওয়ে ও পর্যটন খাত রয়েছে। এ ছাড়া কয়লা নীতি ও জ্বালানি প্রণয়ন ও পিপিপির ওপরেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সম্প্রতি আগামী অর্থবছরের যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চূড়ান্ত করা হয়েছে এর আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৯ হাজার ৭০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এডিপির যে আকার ধরা হয়েছিল এর পরিমাণ ছিল ৬৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এটি কমিয়ে ৬০ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে ১ লাখ ৮২ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। এটা চলতি অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি। এদিকে চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল এর পরিমাণ হচ্ছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯০ কোটি টাকা।

আগামী বাজেটে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। এ জন্য কর আদায়ে নতুন করনীতি ঘোষণা, কর হার ও করের আওতা বাড়ানো ও আয়কর কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে বলে রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন সম্প্রতি বলেছেন, আয়কর কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে। নতুন বাজেটে আয়কর খাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকবে যথাক্রমে মূসক ও শুল্ক খাত। এ ছাড়া ডাক্তার, প্রকৌশলী ও আইনজীবীদের আয়কর বাড়ানো হতে পারে বলেও জানান তিনি।

রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী বাজেটে রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা এবং রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত খাত থেকে ৫ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। এ ছাড়া রাজস্ব বহির্ভূত খাত থেকে ২৭ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা আয় হতে পারে।

কর আদায় বাড়াতে আগামী বাজেটে জমি, বাড়ি ও সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। বাড়ির মালিকদের কর প্রদান বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। কর দেয় না এমন ১ লাখ ৬২ হাজার বাড়ির মালিকের তালিকা এনবিআরের হাতে রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে বাড়ি ভাড়া প্রদানের বিধান আসছে। সেখান থেকেই কর কেটে নেওয়া হবে।

এদিকে কর হার ও করের আওতা বাড়লেও কর্পোরেট ট্যাক্সের হার কমতে পারে।

রাজস্ব বোর্ডের হিসাব মতে, রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার। এর মধ্যে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ২০০। কর হার বেশি হওয়ায় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান কর্পোরেটে রূপান্তরিত হতে চায় না বলে বোর্ডের ধারণা।

এ ছাড়া আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণে ভর্তুকির পরিমাণ কমানো হতে পারে আগামী বাজেটে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৩২ হাজার ৩৫৪ কোটি টাকা ভর্তুকি রাখা হয়েছিল। এটা প্রায় ২০ শতাংশ কমানো হতে পারে। তবে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি ১ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে।

আসছে বাজেটে পদ্মা সেতুর জন্য বরাদ্দ থাকছে ৮ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া পর্যটন খাতকে কিছু কর সুবিধা দেওয়া হতে পারে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য বাজেটে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংসদ সদস্যদের চাপে এমপিওভুক্তির জন্য বরাদ্দ এবারও থাকছে।

কালো টাকা সাদা করার বিষয়ে রাজস্ব বোর্ডের আগ্রহ থাকলেও এ বিষয়ে কোনো খাতকে বিশেষ সুবিধা প্রদানের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

বিভাগ - : অর্থ ও বাণিজ্য, জাতীয়

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন