• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

প্রস্তাবিত বাজেটে শতভাগ সন্তুষ্ট নয় ডিএসই

 

ব্যাংক নিউজ২৪ডটকম:২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানালেও পুরোপরি সন্তুষ্ট নয় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তাই বাজেটে যেসব বিষয় স্থান পায়নি সেগুলো নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করার কথা জানিয়েছেন ডিএসইর চেয়ারম্যান বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া।

তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানাই। বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য যা পেয়েছি, তা-ই শেষ নয়। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করে আমরা আরও কিছু পাওয়ার চেষ্টা করবো।’

শনিবার দুপুরে ডিএসই প্রাঙ্গণে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. স্বপন কুমার বালা। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর স্বতন্ত্র পরিচালক রুহুল আমিন।

ডিএসইর এমডি বলেন, ‘সার্বিক বাজেট উচ্চাভিলাষী হলেও আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। আমাদের দাবির আলোকে বাজেটে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন পরবর্তী স্টক এক্সচেঞ্জকে ক্রমহ্রাসমান হারে ৫ বছরের জন্য কর অবকাশ সুবিধা দেয়া হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য করমুক্ত লভ্যাংশের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বাজেটে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট দ্রুত প্রণয়নের মাধ্যমে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল গঠন করা হবে। যা প্রতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে ভূমিকা পালন করবে। পুঁজিবাজারে ক্লিয়ারিং কোম্পানি গঠন প্রক্রিয়াধীন। এ বছরই গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। ক্লিয়ারিং কোম্পানি গঠিত হলে ডেরিভেটিবস মার্কেট চালু সহজতর হবে এবং সেটেলমেন্ট গ্যারান্টি ফান্ড গঠনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করা সম্ভব হবে। কর রেয়াত পাওয়ার ক্ষেত্রে সিএসআর খরচের পরিমাণ ৮ কোটি থেকে ১২ কোটি টাকা উন্নীত করা হয়েছে। ব্যবসায়িক টার্নওভারের ওপর প্রদেয় নূন্যতম কর ০.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৩০ শতাংশ করা হয়েছে।’

ড. স্বপন কুমার আরও বলেন, ‘ব্যক্তি বিনিয়োগে ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার মূলধনী আয়ে নতুন করে যে কর বসানো হয়েছে তা বাজারে প্রতিক্রিয়া রাখতে পারে। ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে উৎসে কর আদায়ের যে প্রস্তাব করা হয়েছে তা ঠিক হবে না। এটি কোনোভাবেই যেন বাস্তবায়ন না করা হয়।’

এর আগে বাজেট-পূর্ব আলোচনায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এনবিআরের কাছে বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল: করপোরেট কর হার কমানো, লভ্যাংশের ওপর থেকে উৎসে কর প্রত্যাহার, দ্বৈতকরের অবসান, মূলধনী মুনাফা করকে কয়েকটি ধাপে পুনর্বিন্যাস, স্টক এক্সচেঞ্জের আয়কে করমুক্ত করা ইত্যাদি।

কর রেয়াতের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ডিএসই বলেছিল, পুঁজিবাজারে মন্দার কারণে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের আয় করযোগ্য সীমার নিচে থাকার পরও উৎসে কর কাটা হচ্ছে। তাই বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কর রেয়াত সুবিধা বাড়ানো প্রয়োজন।

বিভাগ - : শেয়ার বাজার

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন