• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

বেসরকারি খাতে ব্যাংকের বিনিয়োগ বেড়েছে

newtaka
ব্যাংক নিউজ ২৪ ডট কমঃ ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বেড়েছে। চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতে এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ১২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

অন্যদিকে আলোচ্য সময়ে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঋণাত্মক (-) ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত অর্থবছরে যা ছিল (-) ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ।

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বাড়লেও আশানুরূপ হারে ঋণ না বাড়ায় চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতিতে লক্ষ্যমাত্রা কমে ডিসেম্বর নাগাদ ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ২০১৬ সালের জুন নাগাদ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১৫ শতাংশ।

ব্যবসায়ীরা ঋণের উচ্চ সুদকে বিনিয়োগ না বাড়ার জন্য দায়ী করেন। ব্যাংকগুলো আমানতে সুদ হার কমালেও ঋণের সুদ তেমন কমছে না। তারা বলছেন, বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই। তারপরও বিনিয়োগের গতি আশানুরূপ হয়নি। কারণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। কেউই ঝুঁকি নিতে চাইছেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৭ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
তবে জুনের তুলনায় জুলাইতে ঋণ প্রবাহ কমেছে। জুনে বেসরকারি খাতে ঋণ স্থিতি ছিল ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

জানা গেছে, ব্যাংকগুলোর কাছে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি উদ্বৃত্ত অর্থ পড়ে আছে। এর মধ্যে অলস একেবারে ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো। এসব অর্থের বিপরীতে ব্যাংকগুলো আমানতকারীকে বড় অঙ্কের সুদ গুনলেও তাদের কোনো আয় আসছিল না। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশিরভাগ ব্যাংক আমানতে সুদহার ৮ থেকে ৯ শতাংশের নিচে নামিয়ে এনেছে। কিছু দিন আগেও যা ১২ শতাংশের উপরে ছিল।

উদ্বৃত্ত অর্থ যাতে অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ হয়ে মূল্যস্ফীতি বাড়াতে না পারে সে জন্য গত বছরের ২৩ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর নগদ জমা সংরক্ষণের হারও (সিআরআর) বাড়িয়েছে। সিআরআর বাড়ানোর পর থেকে দৈনিক গড়ে ৩ হাজার ২১৪ কোটি টাকা বেশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। এর পরও ব্যাংকগুলোর কাছে অলস অর্থ থাকায় বিভিন্ন ব্যাংক দৈনিক গড়ে সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা রিভার্স রেপোতে খাটাচ্ছে।

বিভাগ - : অর্থ ও বাণিজ্য

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন