• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আসামি হচ্ছেন ৫৬ কোম্পানির ৭৪ মালিক

basicdudok
ব্যাংক নিউজ ২৪ ডট কমঃ বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আসামি হচ্ছেন ৫৬ কোম্পানির ৭৪ মালিক। এর সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের ২০ জন ব্যাংক কর্মকর্তার নাম থাকছে আসামির তালিকায়। কোম্পানি মালিক ও ব্যাংক কর্মকর্তা মিলে মোট আসামি হচ্ছেন প্রায় ১০০ জন। এই অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত-সমালোচিত হলেও কোনো মামলায় তাকে আসামি করা হচ্ছে না। বাচ্চুর আমলের সাবেক এমডি কাজী ফখরুল ইসলামকে আসামি করা হচ্ছে অধিকাংশ মামলায়।

সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের মাঝামাঝি থেকে গত বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছয় বছরে ব্যাংকের গুলশান, শান্তিনগর, দিলকুশা, মতিঝিলস্থ স্থানীয় কার্যালয় ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তিন বছরের অনুসন্ধান শেষে কমিশনের অনুমোদনক্রমে আগামীকাল রোববার থেকে ৩-৪ দিনে পর্যায়ক্রমে ৫৬টি মামলা দায়ের করা হবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক বাচ্চুর ছয় বছরের মেয়াদে জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের হিসাব দুদকে পাঠালেও দুদক টিমের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য। প্রায় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই ৫৬ মামলা করা হচ্ছে।

গত ৮ সেপ্টেম্বর ৫৪ মামলার অনুমোদন দিয়েছিল কমিশন। এর পর আরও দুটি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনের পর অভিযোগগুলো এজাহারের ফরমেটে লেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে ১০-১৫টি এজাহার লেখা হয়েছে। পুরোপুরিভাবে এজাহার লেখার কাজ শেষ না হওয়ায় একদিনে ৫৬ মামলা করা সম্ভব হবে না। তিন থেকে চার দিনে ঢাকার রমনা থানায় ওই ৫৬ মামলা দায়ের করা হবে।

অভিযুক্ত কোম্পানি ও মালিকদের মধ্যে কোনো কোম্পানির একাধিক মালিক রয়েছেন। আবার একই মালিকের একাধিক কোম্পানি রয়েছে।

অভিযুক্ত কোম্পানি ও কোম্পানি মালিকরা হলেন- এসএফজি শিপিং লাইনের সৈয়দ গোলাম হোসেন, তানজিনা ফ্যাশনের শাহিন হাসান, আমিরা শিপিংয়ের গিয়াসউদ্দিন মোল্লা, এশিয়ান শিপিং বিডির আকবর হোসেন, সুরমা স্টিল অ্যান্ড স্টিল ট্রেডিং কোম্পানির মহিউদ্দিন শেখ, এআরএসএস এন্টারপ্রাইজের ছাবির হোসেন, সিলভারকম ট্রেডিংয়ের সাইফুল আজম পলাশ, ফারশি ইন্টারন্যাশনালের ফয়জুন্নবী চৌধুরী, আজাদ ট্রেডিংয়ের রায়হান আজাদ, মনিকা ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের মনির হোসেন, এশিয়ান ফুড ট্রেডিং অ্যান্ড কোম্পানির আবদুল বারী খান, বি আলম শিপিং লাইনের মোহাম্মেদ বশিরুল আলম, ফার্স্ট অ্যান্ড বেস্ট ট্রেডার্স ইম্পেক্টের জাবির হোসেন, লাইফ স্টাইল ফ্যাশন মেকারের মিসেস নার্গিস হোসেন, লিটল ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের সাজ্জাদ হোসেন, সিনটেক্স লিমিটেড ও হাবিব এন্টারপ্রাইজের হাসিবুজ্জামান, ভাসাবী ফ্যাশন, তাহমিনা ডেনিম ও তাহমিনা নিটওয়্যারের ইয়াসির আহমেদ খান, ইউকে বাংলার আহমেদ তাজউদ্দিন, খাদিজা অ্যান্ড সন্সের শামিম হাসান, ট্রেড হাউসের তাজউদ্দিন মোল্লা, এল এল ডিজাইনার্সের আনসার আলী, ভয়েস এন্টারপ্রাইজের এমডি সৈয়দ হাসিবুল গণি গালিব, মেসার্স সৈয়দ ট্রেডার্সের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুল গণি ও পরিচালক সুলতান আহমেদ, মেসার্স এমারেল্ড স্পেশালাইজডের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুল গণি, এমডি আবদুস শাফি, পরিচালক সৈয়দ এনামুল গণি, সৈয়দ মারহাবুল গণি, সৈয়দ হাসান, সৈয়দ হাসিবুল গণি গালিব, মেসার্স এমারেল্ড ব্রিকসের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুল গণি, এমডি সৈয়দ হাসান, পরিচালক সৈয়দ এনামুল গণি, সুলতান আহমেদ, সৈয়দ রেজাউল গণি, আবদুন শাফি, শামীম আহমেদ, আর আই এন্টারপ্রাইজের ফখরুল আলম, বীথি এন্টারপ্রাইজের কামরান শহীদ, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজের ওয়াহিদুর রহমান, নিউ অটো ডিফাইনের আসমা খাতুন, হক ট্রেডিংয়ের জিয়াউল হক, আলী ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের এমডি সৈয়দ হামিদুজ্জামান, চেয়ারম্যান মো. আলম, পরিচালক আহাদুজ্জামান বাতেন, এসওএস ব্রাদার্সের সুবর্ণা দত্ত, প্রোপেল ইন্টারন্যাশনাল ও টেলিওয়েজ ইন্টারন্যাশনালের শওকত আজিজ, ডায়নামিক ট্রেডিংয়ের আবুল কালাম মো. রায়হান, নাহার গার্ডেন (প্রা.) লিমিটেডের আকরাম হোসেন, রুদ্র স্পেশালাইজড কোল্ডস্টোরেজের মীর আবদুল মোহাইমেন, এলআর ট্রেডিংয়ের লুৎফা বেগম, বাশার এন্টারপ্রাইজের আইনুল হক সোহেল, ঢাকা সিটি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের নুরুল ইসলাম।

এ ছাড়া নীল সাগর অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ (ফিডমিল ইউনিট) ও নীল সাগর অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের (ব্রিডিং অ্যান্ড হ্যাচারি ইউনিট) আহসান হাবিব লেলিন, বর্ষণ অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের কামরান শহীদ ও সামিয়াজ আক্তার, আজবিহা অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের মারুফ জামান ও মিসেস সাহেরা বানু, মেসার্স পারুমা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের মিসেস শাহানা খানম ও আহসান হাবিব লেলিন, মেসার্স অ্যামারেল্ড ড্রেসেস লিমিটেডের এনামুল হক খান, সৈয়দ হাসিবুল গণি গালিব ও আনোয়ার খোকন, এমারেল্ড ওয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের সৈয়দ মনোয়ারুল ইসলাম, সৈয়দ হাসিবুল গণি গালিব, এনামুল হক, সৈয়দ রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সৈয়দ হামিদুজ্জামান বাবলু, রোজিনা জামান, রিলায়েন্স শিপিংয়ের আসিফ ইকবাল, আর কে ফুড লিমিটেডের আবদুল কুদ্দুস, মেসার্স সিমেক্স লিমিটেডের রাশেদুল হাসানের নাম রয়েছে আসামির তালিকায়।

বিভাগ - : এক্সক্লুসিভ, ব্যাংক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন