• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

ব্যাংকিং খাতে মূলধন বেড়েছে ৬,৫৬৫ কোটি টাকা

bangladeshbank
ব্যাংক নিউজ ২৪ ডট কমঃ সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে মূলধনের পরিমাণ বেড়েছে। ২০১৪ সাল শেষে সংরক্ষিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে এ খাতে মূলধনের পরিমাণ ছিল ৬৫ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকিং খাতে সংরক্ষিত মূলধনের পরিমাণ ৬ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা বা ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকগুলোর মুনাফার অংশ মূলধনে স্থানান্তর, পুনঃমূলধনীকরণ ও প্রভিশন ঘাটতি কমার কারণে ব্যাংকের সংরক্ষিত মূলধন বেড়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ১০ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ছাড়া সার্বিক মূলধন পর্যাপ্ততার হার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৪ সালের জানুয়ারি-মার্চ শেষে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে ব্যাংকগুলোর মূলধন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল ৬২ হাজার ১৯৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এসময়ে ব্যাংকগুলোর মূলধন ছিল ৬৪ হাজার ৫৭৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। সে হিসাবে ২০১৪ সালের মার্চ শেষে ব্যাংকগুলোর মূলধন উদ্বৃত্ত ছিল ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ।

এপ্রিল-জুন শেষে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে মূলধন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল ৬৪ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা। এসময়ে ব্যাংকগুলোর মূলধন ছিল ৬৩ হাজার ৬৯৪ কোটি টাকা। সে হিসাবে জুন শেষে ব্যাংকিং খাতে মূলধন ঘাটতি ছিল ৮৪৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা বা ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

জুলাই- সেপ্টেম্বরে মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ৯৬ কোটি টাকা বেড়ে ৬৪ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। কিন্তু বছর শেষে সে ঘাটতির পরিমাণ ৬ হাজার ৮২১ টাকা কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, সামগ্রিক বিবেচনায় ব্যাংকগুলো যে পরিমাণ মূলধন সংরক্ষণ করেছে তা আগের তুলনায় ভালো। ব্যাংকের ভবিষ্যত ঝুঁকি মোকাবেলায় ন্যুনতম মাত্রার চেয়ে বেশি হারে মূলধন সংরক্ষণ করা উচিত। কারণ ঝুঁকি মোকাবেলায় যে কোনো ব্যাংকের উচ্চ মূলধন থাকা জরুরি। কেননা এর আগে শুধু ঋণ ঝুঁকির বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণ করতে বলা হতো। বর্তমানে ঋণ, বাজার ও পরিচালন ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। তাই বর্তমানে ব্যাংকগুলো আগের থেকে ভালো অবস্থানে আছে।

উল্লেখ, বিশ্বের ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি কমাতে প্রথম পর্যায়ে-১ এবং ২০১১ সালের জুলাই থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্যাসেল-২-এর আলোকে মূলধন সংরক্ষণ শুরু হয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে দেশের ব্যাংকগুলোকে ব্যাসেল-২ আলোকে মূলধন সংরক্ষণ করতে হত। নিয়ম মেনে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোকে বর্তমানে ন্যূনতম ৪০০ কোটি টাকা অথবা ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ যেটি বেশি সে পরিমাণ অর্থ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়। চলতি ২০১৫ সাল থেকে ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়নে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিভাগ - : অর্থ ও বাণিজ্য, ব্যাংক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন