• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীল: বাংলাদেশ ব্যাংক

bangladeshbank

ব্যাংক নিউজ২৪ডটকম: দেশের ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীল রয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি)। বিবির দাবি, বৈশ্বিক মন্দা পরবর্তী প্রভাব এবং ২০১৩ সালের দেশীয় রাজনৈতিক অস্থিরতার ক্ষতিকর প্রভাব কাটিয়ে উঠেছে ব্যাংকিং খাত।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সময়োচিত পদক্ষেপে ব্যাংকিং খাত এ বিপর্যয় এড়াতে সক্ষম হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবসা ঝুঁকিনির্ভর হওয়ায় ব্যাংকগুলোকে এ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের আন্তর্জাতিক মানের সুপারভিশন পদ্ধতি প্রয়োগ করায় এসব ঝুকি ব্যবস্থাপনা অনেকটা কমে এসেছে।

তাছাড়া ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মূলধন পর্যাপ্ততা সংক্রান্ত ‘ব্যাসেল-২’ নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে।

ব্যাসেল-২ নীতিমালা মোতাবেক ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত ব্যাংকগুলো গড়ে ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে এ পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে সংরক্ষিত মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ৬৯৪ কোটি টাকা। যা ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে ‘ব্যাসেল-২’ শুরুর সময় ছিল ২৬ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ এ সময়ে মূলধনের প্রবৃদ্ধি ঘটেছে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। মূলধনের এ প্রবৃদ্ধি ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি সহনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বর্তমানে ব্যাংকগুলোর তারল্যের ক্ষেত্রেও কোন ঘাটতি নেই এবং কল মানি মার্কেটে সুদের হারও স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কৃষি খাতে ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন নতুন খাতে ঋণ প্রবাহকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। যা দেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর ফলে খাদ্য আমদানী ব্যয় ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে।

স্বল্প সুদে বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণের যোগান উদার ও সহজীকরণের ফলে দেশের শিল্প ক্ষেত্রে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নজরদারির ফলে বর্তমানে ঋণের সুদের হার ধীরে ধীরে কমে আসছে। আর আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান ৫ শতাংশের কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিভাগ - : জাতীয়, ব্যাংক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন