• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

ব্যাংক ব্যবস্থায় সুশাসন দরকারঃ বিশ্বব্যাংক

ব্যাংক নিউজ২৪ডটকম: আগামী অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের জন্য ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ বাড়ানো অপরিহার্য। ব্যাংক ব্যবস্থায় কেলেঙ্কারি ও সরকারের ঋণের পরিমাণ বাড়লে ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ হবে না। এজন্য ব্যাংক ব্যবস্থায় সুশাসন ও পর্যবেক্ষণ বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাওয়ে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কার্যালয়ে ২০১৫ অর্থবছরের বাজেট পর্যালোচনায় এ কথা বলেছেন ঢাকা অফিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেইন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি জোহানেস জাট।

তিনি বলেন, ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের পরিমাণের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার। এর পাশাপাশি দরকার পর্যাপ্ত মনিটরিং ব্যবস্থা। এটা নিশ্চিত করতে হলে হলমার্ক ও বিসমিল্লাহর মত ঋণের কেলেঙ্কারি ঘটবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হচ্ছে জমি। আগামী অর্থবছরের বাজেটে জমি বিষয়ক একটি সাময়িক সমাধান দেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘ মেয়াদী সমাধানের জন্য দুর্নীতিমুক্ত ও দক্ষ প্রশাসন তৈরি করতে হবে। এজন্য কম্পিউটারাইজড ভূমি তথ্য ধারণ, জরিপ ব্যবস্থার উন্নয়ন দরকার।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পর্যাপ্ত দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা দরকার। বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জমি নিবন্ধন ও রেকর্ড প্রক্রিয়া সহজ করা এবং ফ্রি করলে সমস্যা কমে যাবে বলে মনে করেন তিনি। তবে সমস্যা সমাধানে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করার কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, রপ্তানী বহুমুখীকরণে প্রবৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্থানের জন্য উৎপাদনমুখী খাতের রপ্তানী গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গার্মেন্টস ছাড়া অন্যান্য খাতের জন্য পদক্ষেপ দূর্বল বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

অবকাঠামো খাতের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে সঞ্চালন ও বিতরণ পর্যায়ে সমস্যা রয়ে গেছে। এছাড়াও বিদ্যুৎ খাতে কুইক রেন্টালের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী কোনো সমাধানের কথা বলা হয়নি বলে জানান তিনি।

পরিবহন খাতে সমস্যা রয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু বরাদ্দই যথেষ্ট নয়। এজন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর জোর দিতে হবে। এ খাতের উন্নয়নের জন্য জবাবদিহীতার বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েসহ বড় বড় প্রকল্পের কাজ দ্রূত সময়ের মধ্যে শেষ করতে মনিটরিং বাড়ানো দরকার বলে জানান তিনি।

বাজেটের বিষয়ে তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের জন্য ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করা দরকার। এক্ষেত্রে আঞ্চলিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক জোন করে স্থানীয় প্রতিনিধিদের দিয়ে কাজ করাতে হবে।

তিনি বলেন, অনেকেই বলে স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিনিধিদের দক্ষতা নেই। তাই তাদেরকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। এভাবে হলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই স্থানীয় প্রতিনিধিদের সুযোগ দিতে হবে। এরপর যদি বোঝা যায় তারা অদক্ষ, তাহলে তাদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

বিভাগ - : জাতীয়, ব্যাংক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন