• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

মেট্রোপলিটন-সিটি করপোরেশনেও ‘এজেন্ট ব্যাংকিং’ চালু করা যাবে

bangladeshbank
ব্যাংক নিউজ ২৪ ডট কমঃ পল্লী এলাকা ও শহরের পাশাপাশি এখন মেট্রোপলিটন ও সিটি করপোরেশন এলাকাও এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে গ্রামে দুটি শাখা খোলার পর শহর বা মেট্রোপলিটন ও সিটি করপোরেশন এলাকায় একটি শাখা খুলতে পারবে ব্যাংক। এর আগে পল্লী ও পৌরসভা এলাকায় এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানো যেত।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনটি সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর ব্যবসাকেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী সব মেট্রোপলিটন বা সিটি করপোরেশন এলাকা এবং ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত পৌরসভায় স্থাপিত শাখা ‘শহর শাখা’ এবং ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত সব পৌরসভা এবং ইউনিয়ন এলাকায় স্থাপিত শাখা ‘পল্লী শাখা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

এর আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে জারিকৃত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের নীতিমালায় শুধু পল্লী এলাকায় এজেন্ট ব্যাংকিং করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে এ নীতির কিছুটা সংশোধন করে গত বছরের ৩ জুন এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতা বাড়িয়ে মেট্রোপলিটন ও সিটি করপোরেশন এলাকা বাদে সব ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভা অন্তর্ভূক্ত করা হয়। নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এখন এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সাথে মেট্রোপলিটন ও সিটি করপোরেশন এলাকাও যুক্ত করা হলো।

এজেন্ট ব্যাংকিং নীতিমালায় বলা আছে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের অর্থ হল একটি সমঝোতা স্মারকের চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগকৃত এজেন্টের মাধ্যমে ব্যাংকের গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবা দেওয়া। এতে আরও বলা হয়ে, নিজস্ব বিক্রয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে, এমন একজন ব্যক্তি এই এজেন্ট হতে পারবেন এবং তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হয়ে গ্রাহককে আর্থিক সেবা দেবেন। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবার মধ্যে নিয়ে আসার চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে যারা ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন এলাকায় বসবাস করছে তারাই এ সেবার টার্গেট গ্রাহক।

নীতিমালায় আরও বলা আছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চালাতে পারবে না। এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা উদ্বোধনের আগে ব্যাংক ও এজেন্টের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। এজেন্টরা শুধু টাকার মুদ্রায় লেনদেন করতে পারবে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক জনস্বার্থে যেকোনো সময় এজেন্টের অনুমোদন স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষমতা রাখবে।

এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার মধ্যে রয়েছে এজেন্টের মাধ্যমে স্বল্প পরিমাণ টাকা নিজ হিসাবে জমা দেওয়া ও উত্তোলন করা, বিদেশ থেকে আসা রেমিট্যান্স গ্রহণ, ছোট আকারের ঋণ বিতরণ ও ঋণের কিস্তি আদায়, বিদ্যুত্ ও অন্যান্য ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করা। গ্রাহক সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির নগদ অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করা, ব্যাংক হিসাবে কত টাকা জমা রয়েছে তাও জানা যাবে। তবে এজেন্ট কোনো গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে না।

বিভাগ - : ব্যাংক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন