• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

সব বীমা কোম্পানির জন্য নিবন্ধন

ব্যাংক নিউজ২৪ডটকম:নতুন বীমা কোম্পানির সংঙ্গে পুরনো সব বীমা কোম্পানিকে নতুন করে নিবন্ধন করতে হবে। এছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, ঋণখেলাপি, করখেলাপি ব্যক্তি বীমা কোম্পানির পরিচালক হতে পারবেন না। বীমা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইডিআরএর নতুন প্রবিধান মালা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
তবে নতুন বীমার ক্ষেত্রে অন্যতম শর্ত হলো লাইসেন্স পাওয়ার তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে আসতে হবে। শেয়ার ধারণের সর্বোচ্চ সীমা ১০ শতাংশ শিথিল করা যাবে, যদি ওই কোম্পানিটি কোন বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে সংযুক্তভাবে গঠিত হয়। শতকরা পাঁচ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ারধারী উদ্যোক্তাদের একটি মূলধন ব্যবস্থাপনা চুক্তি করতে হবে।
প্রবিধানমালা থেকে আরও জানা যায়, নিবন্ধনের জন্য বীমা কোম্পানিকে আইডিআরএ’র বরাবরে এক লাখ টাকার ব্যাংক ড্রাফট জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। আর নতুন বীমা কোম্পানির লাইসেন্সের জন্য আবেদন করলে পাঁচ লাখ টাকার ব্যাংক ড্রাফট জমা দিতে হবে।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি ‘বীমাকারীর নিবন্ধন প্রবিধানমালা, ২০১৩’ গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। আইডিআরএ সূত্রে জানা গেছে, গেজেটের আলোকে শীঘ্র পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে নতুন বীমা কোম্পানির জন্য আবেদন চাওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান ৬০টি বীমা কোম্পানিকে নতুন প্রবিধানমালার নিয়ম মেনে নিবন্ধন করতে হবে।
এ বিষয়ে আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান এম শেফাক আহমেদ বলেন, ‘বীমা আইন ২০১০ অনুযায়ী বিদ্যমান বীমা কোম্পানিকে নতুন প্রবিধানমালার নিয়ম মেনে আবার নিবন্ধন নিতে হবে। এতে করে নতুন-পুরনো সব কোম্পানিই একই নিয়মের আওতায় আসবে।’
এর সঙ্গে অবশ্য বীমা কোম্পানিগুলো এক মত পোষণ করেছে। জানা গেছে, প্রবিধানমালা করার আগে বীমা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে আইডিআরএর। তাই এ ব্যাপারে তাদের কোন আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বীমা ব্যবসায়ীরা।
এ ব্যপারে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন বলেন, ‘আইডিআরএ আমাদের সঙ্গে কথা বলেই এ বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে। ফলে এ বিষয়ে আমাদের কোন আপত্তি নেই। এতে বীমা কোম্পানির মধ্যে কোন রকম সমস্যারও সৃষ্টি হবে না।’
নতুন লাইসেন্সের জন্য যা করতে হবে তাহলো, নিবন্ধন প্রবিধানমালা-২০১৩’ অনুযায়ী নতুন বীমা কোম্পানির আবেদনপত্রের সঙ্গে অফেরতযোগ্য ৫ লাখ টাকার ব্যাংক ড্রাফট কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করতে হবে। বিদ্যমান অর্থাৎ নিবন্ধিত ৬০টি বীমা কোম্পানির মধ্যে লাইফ কোম্পানিকে আবেদনপত্রের সঙ্গে ১ লাখ টাকা ও নন-লাইফ কোম্পানির প্রত্যেক শ্রেণীর জন্য ১ লাখ করে মোট ৪ শ্রেণীর জন্য ৪ লাখ টাকার অফেরতযোগ্য ব্যাংক ড্রাফট আইডিআরএ বরাবরে জমা দিয়ে নতুন করে নিবন্ধন নিতে হবে। আবেদন ফরম সরবরাহ করবে আইডিআরএ।
প্রবিধানে আরও বলা হয়েছে, আবেদনপত্র বাতিলের ফলে কোন আবেদনকারী অসন্তুষ্ট হলে ৩০ দিনের মধ্যে পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরপরও আবেদনকারী সন্তুষ্ট না হলে ৯০ দিনের মধ্যে আবেদনকারী সরকারের কাছে আপীল করতে পারবেন।
যেসব ব্যক্তির আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়, নতুন বীমা কোম্পানির লাইসেন্স নিতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে এ কোম্পানি খোলা যাবে না। বিদ্যমান কোন বীমা কোম্পানির পরিচালক নতুন বীমা কোম্পানির মালিক বা পরিচালক হতে পারবেন না। পাশাপাশি ঋণখেলাপি ও ঋণ পরিশোধে দেউলিয়া একই সঙ্গে বিশ্বের যে কোন দেশে মানবতাবিরোধী কোন অপরাধমূলক কার্যক্রম করে থাকলে ওই ব্যক্তি নতুন বীমা কোম্পানির পরিচালক হতে পারবেন না।

বিভাগ - : বীমা

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন