• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

সাভারে স্থানান্তরিত ট্যানারির জন্য বিশেষ সুবিধা

bangladeshbank
ব্যাংক নিউজ২৪ডটকম:সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তরিত ট্যানারিগুলোর জন্য বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা এক সার্কুলারে অনিয়মিত ঋণ ব্লক একাউন্টে স্থানান্তরসহ ট্যানারিগুলোর জন্য বিশেষ ব্যাংক সুবিধার কথা জানানো হয়।

ব্লক একাউন্টে স্থানান্তরিত ঋণের জন্য এক বছরের মরাটরিয়াম সুবিধাসহ পরিশোধের জন্য পরবর্তী সর্বোচ্চ আট বছর সময় দেয়া হবে। স্থানান্তরিত ঋণের উপর ১০ শতাংশ অথবা কস্ট অব ফান্ড- এ দুইয়ের মধ্যে তুলনামূলক কম হারে সুদ আদায়যোগ্য হবে।

ব্লক একাউন্টে স্থানান্তরিত ঋণের প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনারোপিত সুদ, স্থগিত সুদ খাতে রক্ষিত সুদ এবং দন্ড সুদ মওকুফ (সম্পূর্ণ বা আংশিক) করা যাবে। এক্ষেত্রে মূল ঋণ এবং মামলা খরচ মওকুফ করা যাবে না।

সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এ সার্কুলারে বলা হয়েছে, ট্যানারি শিল্প সাভারে স্থানান্তরের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ পর্যায়ে সাভারে স্থানান্তরাধীন যে সকল ট্যানারিগুলোর ব্যাংকঋণ সংক্রান্ত সমস্যা এখনও অনিষ্পন্ন রয়েছে সেগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। সে কারণে যে সকল ট্যানারি সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তর করে ব্যবসা অব্যাহত রাখবে সে সব ট্যানারি এ বিশেষ সুবিধা পাবে। সাভারে স্থানান্তরিত ট্যানারিগুলোর নতুন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে জামানত ঘাটতি থাকলে গ্রাহক নতুন জামানত প্রদান করবে।

এছাড়া ট্যানারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান বন্ধকী সম্পত্তির বিপরীতে সমমূল্যের সহায়ক জামানত দেয়া হলে বন্ধকী সম্পত্তি ছাড় করা যাবে। রপ্তানি বাণিজ্যে নিয়োজিত ট্যানারিগুলোর ঋণ পুনঃতফসিল ও নতুন ঋণপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রচলিত ডাউন পেমেন্ট শিথিল করার বিষয়টি পর্ষদ বিবেচনা করতে পারে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে কেইস-টু-কেইস ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তি গ্রহণ করা যেতে পারে। ব্লক ঋণ হিসেবে স্থানান্তরিত/পুনঃতফসিলকৃত ঋণ রপ্তানি বিল হতে সমন্বয় করা যেতে পারে। রপ্তানি বিল হতে ঋণের কিস্তি পরিশোধ সম্ভব না হলে ঋণ গ্রহীতা নিজস্ব উৎস হতে পরিশোধ করবে।

নির্ধারিত সময়ে ঋণ আদায় না হলে ঋণ শ্রেণীকরণ ও প্রভিশনিংয়ের প্রচলিত নিয়ম প্রযোজ্য হবে এবং ব্যাংক তার প্রচলিত নিয়মে ঋণ আদায় নিশ্চিত করবে। যেসব ট্যানারির বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে সেগুলো সোলেনামার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। স্থানান্তরিত/স্থানান্তরাধীন ট্যানারিগুলোর যে সকল ঋণ হিসাব ইতোমধ্যে পুনঃতফসিলকরণ হয়েছে সে সকল ঋণ হিসাবের জন্যও এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। ছয় মাসের মধ্যে ঋণগ্রহীতাকে ট্যানারি কারখানা সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তর বা স্থানান্তর কার‌্যক্রম শুরুর সপক্ষে প্রমাণাদি ও প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে হবে। ট্যানারি কারখানা স্থানান্তর/স্থানান্তর কার‌্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে এসব সুবিধা বিবেচনা করা হবে।

বিভাগ - : অর্থ ও বাণিজ্য, ব্যাংক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন