• ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ
  • সাবেক ছিটমহলবাসীদের স্যানিটেশন সুবিধা প্রদান পূবালী ব্যাংকের

সিএসআর ফান্ডের অর্থ চাওয়ার বিষয় অস্বীকার:অর্থমন্ত্রী

ব্যাংক নিউজ২৪ডটকম: সুনামগঞ্জ হাওরে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি ফান্ড (সিএসআর) থেকে অর্থ চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।সচিবালয়ে মঙ্গলবার ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সহায়তা তহবিল গঠন’ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

উল্লেখ্য, জনতা ব্যাংকের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত সোমবার চেয়ারম্যান হিসেবে তার শেষ কর্মদিবসে রাজধানীর বাসাবো এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘সুনামগঞ্জ হাওরে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার জন্য জনতা ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ চেয়ে তার কাছে চিঠি দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু সেই অর্থ না পাওয়ায় জনতা ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ প্রদান বন্ধ করে দেওয়া হয়।’

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে আমার কাছে এ ধরনের বহু আবেদন আসে, যেগুলোর বেশির ক্ষেত্রেই সুপারিশ করা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে আমি আবেদনের উপরেই সুপারিশ লিখে দেই। কিন্তু এ ধরনের কোনো সুপারিশ করেছি কি না, এখন আমার মনেও নেই। তবে আমি যে-ই সুপারিশ করি না কেন তার অফিস রেকর্ড থাকে, এ রকম রেকর্ড এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। চিঠি লেখার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’

‘এখানে ব্যক্তিগত কোনো বিষয় আছে কি না’ জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘না, এখানে ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। আসলে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। এটা আর রিনিউ করা হবে না। এ জন্য তার মনে দুঃখ থাকতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগে অনেক বুদ্ধিজীবী (ইন্টেলেকচুয়াল জায়েন্ট) আছেন যাদের দেখাশোনা করতে হয়। কিন্তু কাউকে সারাজীবন দেখা সম্ভব নয়। পাঁচ বছর তাকে রাখা হয়েছে। এটাই যথেষ্ট।’

জনতা ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থছাড় বন্ধ করা প্রসঙ্গে মুহিত বলেন, ‘শুধু জনতা ব্যাংক নয়, আরও কয়েকটি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ প্রদান বন্ধ করা হয়েছে। যেসব ব্যাংকের চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে সেসব ব্যাংকের জন্য এটা করা হয়েছে। কারণ দেখা গেছে, মেয়াদের শেষ সময়ে সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ প্রদানের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।’

‘এ নিয়ে কোনো তদন্ত করা হবে কি না’- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, কোনো তদন্ত করা হবে না।’

জনতা ব্যাংক প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখন জনতা ব্যাংক ছিল সবচেয়ে ভাল অবস্থানে। কিন্তু বর্তমানে এ ব্যাংকের অনেক অবক্ষয় হয়েছে। এর দায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকেও নিতে হবে। মূলধন ঘাটতি ও খেলাপি ঋণ অনেক বেড়েছে। প্রায় সব কিছুই খারাপ।’

বিভাগ - : জাতীয়, সিএসআর-কার্যক্রম

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন