• স্টাইল ক্রেইজ (style craze) ফ্যাশন হাউজে নতুন ঈদ কালেকশন
  • ২০২০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি পাচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক
  • বিশেষ তহবিলে বিনিয়োগের সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
  • ব্যাংকিং সেক্টরেও আছে দুষ্টু চক্র : এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ৫ দিনব্যাপী ব্যাংকিং মেলা শুরু
  • এসএমই ঋণে সুদ হারের ব্যবধান সিঙ্গেলে রাখার নির্দেশ
  • বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি:
  • বাংলা একাডেমিতে বসছে ব্যাংকিং মেলা
  • দুদক বেসিক ব্যাংকের নথিপত্র সংগ্রহে আদালতে যাবে
  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশ

৪ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ঋণ সীমা ভাঙ্গল

loan
ব্যাংক নিউজ ২৪ ডট কমঃ রাষ্ট্রীয় মালিকানার ৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক একক গ্রাহকের ঋণ সীমা অতিক্রম করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত ঋণ সীমা ভেঙ্গে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে বড় অংকের ঋণ দিয়েছে ব্যাংকগুলো।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে ত্রৈমাসিক পর্যালোচনা সভা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকগুলো একক কোনো গ্রাহককে তার মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে পারে। সে হিসাবে, সোনালী ব্যাংক একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৫৩৩ কোটি, জনতা ৫৫৪ কোটি, অগ্রণী ৪০৩ কোটি ও রূপালী ব্যাংক ২৪৪ কোটি টাকা দিতে পারবে।

কিন্তু বৈঠকে উত্থাপিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এই সীমা অতিক্রম করে সোনালী ব্যাংক ১ জন, জনতা ৪ জন, অগ্রণী ১ জন ও রূপালী ব্যাংক ৪ জন গ্রাহককে বড় অংকের ঋণ দিয়েছে। এমনকি এসব গ্রাহককে ঋণ দেওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনও নেওয়া হয়নি। সভায় এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপি থেকে গত বছর ৬২৩ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ ব্যাংকের। আদায় হয়েছে মাত্র ২৩৮ কোটি টাকা। এই আদায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৩৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। অন্য খেলাপিদের থেকে আদায়ও আশানুরূপ হয়নি।

বৈঠক শেষে এস কে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, শুধু দুই চারজন কর্পোরেট গ্রাহককে ঋণ না দিয়ে ব্যাংকগুলোকে উৎপাদনশীল খাতে ঋণ বাড়াতে বলা হয়েছে। কোনো অবস্থাতে যেন এসব ব্যাংক একক গ্রাহকের ঋণসীমা অতিত্রক্রম না করে সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। আর কোনো কারণে সীমা অতিক্রম করতে হলে সে ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে বলা হয়েছে। আর্থিক সূচকের উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের সঙ্গে প্রতিবছর সমোঝাতা স্মারক (এমওইউ) সই করে বাংলাদেশ ব্যাংক। লক্ষ্যমাত্রার আলোকে প্রতি ৩ মাস পর পর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

বিভাগ - : অর্থ ও বাণিজ্য, ব্যাংক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন